Wednesday, November 25, 2015

এবার নিজেই হয়ে যান সংগীত শিল্পী!‍!!

গান শুনতে কে না ভালোবাসে? তবে গান গাইতে পারে এমন লোক খুব কমই আছে। কিন্তু জীবনে একবারও গুণগুণিয়ে গান গায়নি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে। তাহলে আর গুণগুণিয়ে নয়, এবার গান গাইতে ইচ্ছে করলে গাইতে পারবেন একেবারে জনপ্রিয় শিল্পীদের মতোই! তাও আবার মিউজিক সহকারে! ভাবছেন কিভাবে? আরে ভাই চিন্তা কিসের? ম্যা হু না! এক্ষুণি শিখিয়ে দিচ্ছি। এর জন্য আপনার দরকার হবে একটি এন্ড্রোয়েড ফোন, ছোট্ট একটি রেকর্ডিং সফটওয়্যার, আর মোবাইলে ইনস্টল করা যেকোনো একটি ভিডিও প্লেয়ারের। তো চলুন এবার মূল পোষ্টে চলে যাই...

প্রথমে এই ভয়েস রেকর্ডারটি ডাউনলোড করে আপনার মোবাইলে ইনস্টল দিন। এরপর ডেমো হিসেবে তৌসিফের দূরে কোথাও আছি বসে এই গানটি নামিয়ে নিতে পারেন। ব্যাস কাজ শেষ। এবার ডাউনলোড করা ভিডিওটি আপনার মোবাইলের প্লে করুন। এক্ষেত্রে MX Player হলে ভালো হয় আমি মনে করি। তো ভিডিও ওপেন হলে সেটি Pause করে MX Player টি মিনিমাইজ করে ফেলুন। এবার Smart Voice Recorder সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। লাল বৃত্ততে ক্লিক করে Record অন করুন। এবার Smart Voice Recorder সফটওয়্যারটি মিনিমাইজ করে দিয়ে MX Player টি ওপেন করুন। আগের Pause করা ভিডিওটি Resume বা Play করুন। এবার মিউজিকের সাথে সাথে সুর, তাল, লয় মিলিয়ে গান গাইতে থাকুন। গান গাওয়া শেষ হলে Smart Voice Recorder টি ওপেন করে Finish ফিনিস চাপুন। এবার যে ফাইলটি রেকর্ড হলো সেটি Play করুন। কি চমকে গেলেন তো নিজের কণ্ঠে এতো সুন্দর গান শুনে? ব্যাস কাহিনী শেষ! এখন নিজেই শুনতে থাকুন নিজের গাওয়া দারুন সব গান! পারলে বন্ধুদেরও শুনিয়ে অবাক করে দিতে পারেন!
টিপস
·         গুগলে সার্চ দিলে প্রায় অনেক গানেরই Karaoke অর্থ্যাৎ গানের কথা ছাড়া মিউজিক পাবেন। হিন্দী ও ইংরেজি গানের মিউজিক আর লিরিক্স পেতে সহজ হলেও বাংলা গান পেতে একটু সমস্যা হবে। আর তাই যারা পছন্দের গানের Karaoke পেতে হলে আপনার নিজেকেই সেটি তৈরি করে নিতে হতে পারে। এজন্য পিসি ইউজাররা গান ডাউনলোড করে Audacity সফটওয়্যারের মাধ্যমে গান থেকে ভোকাল বা কণ্ঠ রিমুভ করে নিতে পারেন।
·         গুগল থেকে আপনার পছন্দের গানের রেডিমেট Karaoke সহজে খুঁজে পেতে গানের নাম লিখে শেষে Karaoke লিখতে ভুলবেন না। তাহলে সহজেই যেকোনো গানের মিউজিক সহ লিরিক খুঁজে পেতে সহজ হবে। উদাহরন স্বরুপ আপনি যদি “পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে” এই রবীন্দ্রসংগীতটি সার্চ করতে চান তবে লিখবেন Pagla Hawar Badol Dine Song Karaoke With Lyrics এভাবে।
·         ভালো আউটপুট পেতে হলে গানের সুর, তাল, লয় ঠিক রেখে গাইবেন। এজন্য মূল গানটি বেশ কয়েকবার শুনে দ্যান রেকর্ড করতে পারেন।

Wednesday, November 4, 2015

ঈদ উপলক্ষে তাদের স্ট্যাটাস!

পশুরা বোবা তাই এরা কিছু বলতে বা লিখতে পারে না। কিন্তু পশুরা যদি লিখতে পারত তবে কেমন হতো কোরবানী নিয়ে তাদের স্ট্যাটাস সেটাই এখন জানাচ্ছেন- রবিউল ইসলাম সুমন



উট : আমরা হইলাম উচ্চমার্গীয় জাতি। কারণ আমরা ফরেনে থাকি। কিন্তু এখানকার বাজার ব্যবস্থা খুবই খারাপ। কারণ আমাদের রাখা হয়েছে দেশি গরু-ছাগলের পাশের সারিতে। প্রেস্টিজ পুরা পাংচার হয়া গেলরে...!

গরু : মালিক আমার লগে একটা সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিছিল। সঙ্গে সঙ্গেই তার বন্ধুরা কমেন্ট করতে লাগল, দোস্ত এখানে গরু কোনটা? শেষমেশ কি-না মানুষের সঙ্গে আমার তুলনা? ছিঃ! নিজেদের মান-সম্মান বলে দেখছি আর কিছুই অবশিষ্ট থাকল না!

ছাগল : মানুষ বলে ফেসবুকে নাকি ছাগলের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে! কই, আমাদের তো কোনো ফেসবুক আইডি নাই। তাহলে আমাদের নামে যারা ফেসবুক চালাচ্ছে তারা নিঃসন্দেহে ফেইক আইডি বোঝা যাচ্ছে। অতএব বন্ধুরা সাবধান!!

মুরগি : গত ঈদে বেশ টেনশনে ছিলাম। এবার আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। সো আগামী ঈদ পর্যন্ত একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে চলাফেরা করতে পারব! তবে খারাপ লাগছে আমার কিছু চার পা-ওয়ালা ফ্রেন্ডের জন্য। তাদের উদ্দেশে বলছি, বন্ধুরা টেনশনের কিছু নাই। জন্মেছি যখন তখন একবার না একবার মরতেই হবে। বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে। তোমাদের জন্য অঢেল শুভ কামনা।

ভেড়া : সারাবছর বাজারের মাংসের দোকানগুলোতে খাসির নামে আমাদের কোরবান করা হলেও ঈদের সময়টাতে অন্তত আরামে থাকতে পারি। কারণ ক্রেতাদের কাছে আমাদের চাহিদা খুব একটা নেই বললেই চলে। সো ফিলিং রিলাক্স! 

প্রথম প্রকাশ: প্যাঁচআল, দৈনিক সমকাল
(২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫)

ছবি দেখে বিভিন্ন থানার নাম শেখা!

বাংলাদেশের বিভিন্ন থানার নাম হয়তো আপনি শুনেছেন। কিন্তু ছবিতে কি কখনো দেখেছেন সেগুলোর চিত্র কেমন হয়? না দেখে থাকলে এক্ষুণি মিলিয়ে নিন! আইডিয়ায় ছিলেন- বিভোর মাহমুদ, আর ছবি এঁকেছেনে- রবিউল ইসলাম সুমন


প্রথম প্রকাশ: প্যাঁচআল, দৈনিক সমকাল
(২ নভেম্বর ২০১৫)

একটি সাক্ষাৎ‘কার’


লেখা ও আঁকা: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: রস+আলো, প্রথম আলো
(২ নভেম্বর ২০১৫)

Saturday, August 22, 2015

পুরাতন আনস্মার্ট ফোনের স্মার্ট কিছু ব্যবহার!

স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার কারণে এখন পুরাতন আনস্মার্ট ফোনের কদর প্রায় নেই বললেই চলে।
তাই বলে কি আপনার পুরাতন ফোনটিকে ফেলে দিবেন? অবশ্যই না। তো কিভাবে সেই আনস্মার্ট
ফোনটিকে বিভিন্ন স্মার্ট কাজে ব্যবহার করবেন সেটাই এখন জানাচ্ছেন- রবিউল ইসলাম সুমন

♦ বাচ্চাদের জন্য আলাদা করে খেলনার মোবাইল না কিনে আপনার পুরাতন মোবাইলটিকেই বাচ্চাদের খেলনা হিসেবে ব্যবহার করতে দিতে পারেন।
♦ চাইলে আপনার পুরাতন ফোনটিকে মুদি দোকানে বাটখারা হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
♦ মূল্যবান কাগজপত্র যত্নসহকারে রাখার জন্য আপনার পুরাতন মোবাইলটিকে পেপার ওয়েট হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।
♦ পুরতন মোবাইলগুলো সংরক্ষণ করে আপনি নিজের ঘরকে ছোটখাট একটা মিউজিয়াম ঘোষণা করতে পারেন!
♦ আনস্মার্ট মোবাইলগুলো যথেষ্ট টেকসই হওয়ায় ওইগুলা দিয়ে ঢিল ছুঁড়ে গাছের আম বা বড়ই পারতে পারবেন অনায়সেই।
♦ যেহেতু পুরাতন অধিকাংশ ফোনেই টর্চ সিস্টেম ছিল তাই চাইলে ফোনটিকে রাতের বেলায় আপনি টর্চলাইট হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন!
♦ যেসব মোবাইলে এণ্টেনা লাগানো ছিল সেগুলো দিয়ে আরামসে নিজের কান চুলকিয়ে নিতে পারেন!
♦ একাধিক নষ্ট মোবাইল থাকলে সেগুলো দোকানের মতো সাজিয়ে আপনি লোকজনের সামনে নিজেকে মোবাইল মেকানিক হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন।
♦ ছিনতাইয়ের কবলে পড়লে ছিনতাইকারীর হাতে আপনার আনস্মার্ট ফোনটি গছিয়ে দিয়ে আপনি সহী-সালামতে চম্পট দিতে পারেন!
♦ সর্বপরি একেবারেই যদি কোনো কাজে না লাগাতে পারেন তবে আপনার পুরনো আনস্মার্ট ফোনটিকে কটকটি ওয়ালার কাছে বেঁচে দিয়ে কিছু টুপাইস ইনকাম করতে পারেন কিংবা মনে চাইলে আপনি কটকটিও কিনে খেতে পারবেন!
লেখা ও আঁকা: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: রকমারি রম্য, বাংলাদেশ প্রতিদিন
(১৮ আগষ্ট ২০১৫)