Showing posts with label যাচ্ছেতাই. Show all posts
Showing posts with label যাচ্ছেতাই. Show all posts

Monday, August 3, 2015

স্মার্টফোনের কিছু ওভার স্মার্ট ফিচার!

স্মার্টফোন শুধু কথা বলার কাজেই ব্যবহার হয় এমন নয়। স্মার্টফোনের রয়েছে বেশকিছু ওভার স্মার্ট সুবিধাও। যার কল্যাণে আপনি আপনার দৈনন্দিন ব্যবহৃত জিনিসপত্র আর যন্ত্রপাতিতে দিতে পারবেন আধুনিকতার ছোঁয়া! ভাবছেন কীভাবে? সেটাই জানাচ্ছেন- রবিউল ইসলাম সুমন

যেহেতু স্মার্টফোন অল্প ব্যবহারেই অধিক গরম হয়ে যায়, তাই আপনি আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি দিয়ে কাপড় ইস্ত্রি করে নিতে পারবেন অনায়াসে।
স্মার্টফোনের ডিসপ্লে বড় হওয়ায় এটাকে সহজেই আয়নার বিকল্প হিসেবে ইউজ করা যায়। আর এ জন্য যে আপনার আয়না কেনার খরচ বেঁচে যাবে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। তবে স্মার্টফোনের ডিসপেল্গতে একেবারে আয়নার মতো চকচকে ফেস দেখতে না পারার কারণে যদি আপনার সাজসজ্জায় কোনো ত্রুটি দেখা দেয় এর জন্য লেখক কোনোভাবেই দায়ী নয়!
স্মার্টফোনের চার্জ অত্যন্ত দ্রুত ফুরিয়ে যায় বিধায় মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমে যাবে। ফলে বেঁচে যাওয়া টাইমগুলো আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পরিবারকে দিতে পারবেন!
স্মার্টফোন কিছুক্ষণ পর পর হ্যাং হয় বিধায় আপনাকে বারবার ব্যাটারি-কেসিং খুলে খুলে ফোন ঠিক করতে হবে। ফলে বারবার খোলার কারণে আপনার হ্যান্ডসেটে ধুলা-ময়লা জমলে সেগুলো পরিষ্কার করা সহজ হয়ে যাবে। আর এ জন্য আপনার ফোন আজীবনই থাকবে নতুনের মতো ঝকঝকা!
স্মার্টফোনে টিভি দেখার সুবিধা থাকায় আপনাকে আর টাকা খরচ করে টিভি কিনতে হবে না। এছাড়া যেখানে-সেখানে ব্যবহারের উপযোগী হওয়ায় স্মার্টফোনের টিভি আপনি চাইলে অফিস কিংবা বাথরুমে বসেও দেখার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ফলে আপনি সর্বদাই থাকতে পারবেন টিভির সঙ্গে কানেক্টেড। তবে অতিরিক্ত টিভি দেখার কারণে আপনার চোখের অবস্থার যে বারোটা বাজবে, তা কিন্তু আগেই বলে রাখলুম!
ওজনে ভারী হওয়ায় চাইলে আপনি আপনার শখের স্মার্টফোনটিকে সহজেই পেপার ওয়েট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন!
সাইজে বড় হওয়ার কারণে অনেক স্মার্টফোনই পকেটে রাখা যায় না। ফলে মোবাইল পকেটে নিয়ে ঘুরতে হলে আপনাকে প্রচলিত পকেটের বাইরে বড় মাপের পকেট বানাতে হবে। আর এতে করে আপনার কাপড়ে তৈরি হবে নয়া স্টাইল। এজন্য আপনি হয়ে উঠতে পারেন সবার চোখে একজন ফ্যাশনসচেতন পাবলিক!
লেখা ও আঁকা: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: প্যাঁচআলদৈনিক সমকাল
(৩ আগষ্ট ২০১৫)

Tuesday, July 28, 2015

স্মার্টফোনের যতো আনস্মার্ট সুবিধা!

জকাল হাতে একটি স্মার্টফোন থাকলেই লোকে নিজেকে স্মার্ট ভাবা শুরু করে। কিন্তু আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনেরও যে বেশ কিছু আনস্মার্ট ফিচার থাকতে পারে এটা কেউ ভেবে দেখার টাইম পায় না। আর তাই আপনাদের হয়ে নিজের টাইম অপব্যয় করে স্মার্টফোনের আনস্মার্ট সুবিধাগুলোর কথা ভেবে দেখেছেন-  রবিউল ইসলাম সুমন

টিভি, ফ্রিজ, ওভেন, বডি স্ক্যানার, ওয়েট মেশিন সহ প্রায় সবধরনের অ্যপসই পাওয়া যাবে আপনার স্মার্টফোনের জন্য, কিন্তু ব্যাবহার করা যাবে না এগুলার কোনোটাই!
স্মার্টফোনে কিছুক্ষণ গেমস খেললে আপনার ফোনসেটটি এতো বেশি গরম হবে যা দেখে মনে হবে আপনি হাতে আগুনের গোলা নিয়ে খেলছেন!
স্মার্টফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়, যার ফলে সারাক্ষণ চার্জার সাথে নিয়ে ঘুরতে হবে!
অধিকাংশ স্মার্টফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরায় তোলা ছবি ভোটার আইডি কার্ডের ছবি থেকেও খারাপ হবে।
স্মার্টফোনের সাইজ বড় হয় বিদায় পকেটে রাখা মুশকিল হয়ে যায়। ফলে আপনার স্মার্টফোনটিকে আনস্মার্টের মতো হাতে নিয়ে ঘুরতে হবে!
কিছু কিছু স্মার্টফোনের সাউন্ড কোয়ালিটি এতোই নিম্নমানের হয় যে মোবাইলে কথা বলতে বা গান শুনতে হলে আপনাকে এক্সট্রা সাউন্ড বক্স সাথে নিয়ে ঘুরতে হতে পারে!
‘দাগ থেকে যদি দারুন কিছু হয় তবে দাগই ভালো’ এই কথাটি সম্ভবত আপনার স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ আপনার স্মার্টফোন যতো ইউজ করবেন ততোই এর স্ক্রীনে দাগ পরবে। আর সেই দাগ সারাতে হলে আপনাকে বার বার টাকা খরচ স্ক্রীন পেপার বা স্ক্রীন প্রটেক্টর ইউজ করতে হবে!

লেখা ও আঁকা: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: রকমারি রম্য, বাংলাদেশ প্রতিদিন
(১৪ জুলাই ২০১৫)

Sunday, July 19, 2015

ঈদ রিলেটেড কিছু আষাঢ়ে নিউজ!

টিভি-পত্রিকায় প্রতি ঈদে বার বার একই ধরনের নিউজ শুনে আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু কখনো যদি সেই নিউজগুলোর বিপরীত কিছু শুনতে পেতাম তাহলে কেমন হতো? যেহেতু বাস্তবে এটা সম্ভব নয়, তাই নিউজগুলোকে আষাঢ়ে হিসেবেই আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছেন প্যাঁচআলের প্রতিনিধি- রবিউল ইসলাম সুমন


এবারের ঈদে রেলষ্টেশন গুলো একেবারেই জনমানব শূন্য। আগাম টিকিট দূরে থাক রেগুলার টিকিটের যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না কোনো ষ্টেশনে। ফলে রেল কর্তৃপক্ষের মাথায় হাত। যাত্রীর অভাবে নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘন্টা পর পর ছাড়তে হচ্ছে সবকটি ট্রেন। আর ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত যেসব রেল আনা হয়েছিল সেগুলোও পড়ে আছে একদম অলস।

কোনো লঞ্চেই এবার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে নৌ-মালিক কর্তৃপক্ষ। ফলে অনেক যাত্রীরই বাড়ি যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে নিষেধ সত্ত্বেও লঞ্চের ছাদে উঠার চেষ্টা করলে এক যুবককে প্রথমে জরিমানা এবং পরে লঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ

ঈদে দ্রব্যমূল্যের দাম না বাড়ায় ক্রেতা সাধারনের বিক্ষোভ। দাম বাড়ানোর জন্য বিক্রেতাদেরকে ৪৮ঘন্টার আল্টিমেটাম বেঁধে দিলেন ক্রেতাদের একাংশ। উল্যেখিত সময়ের মধ্যে পন্যসামগ্রীর দাম বাড়ানো না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি। অন্যদিকে নিজেদের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে একেবারে অটল থাকবেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এবার ঈদে দেশের কোথাও কোনো যানজট নেই। যানজটে পড়ার ভয়ে যারা কয়েক ঘন্টা হাতে নিয়ে বের হয়েছিলেন তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই গন্তব্যে পৌছে গেছেন। এ নিয়ে অনেকে সন্তুষ্ট হলেও কেউ কেউ আবার অসন্তোষ আর আফসোসও প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবী এতো দ্রুত পৌছাতে পারবেন জানলে তারা কখনোই বাস ধরার জন্য তাড়াহুড়া করে সকালবেলায় গিয়ে বাস স্টপে বসে থাকতেন না।

দেশের বাজারে এবার বিদেশী পোশাকের একদম চাহিদা নেই। ক্রেতাদের ভীড় এখন দেশী পোশাকের দিকেই। আর তাই ক্রেতাদের স্লোগান এখন একটাই। সেটা হলো, দেশী পন্য কিনে হোন ধন্য আর বাজারে এবার বিক্রয়ের শীর্ষে আছে মফিজ, কুলসুম, ফুলবানু এবং আবুল ড্রেস।

ঈদে এবার রাজপথে চাঁদাবাজি একদমই নেই। এর ফলে যাত্রী এবং বাস মালিকদের মনে স্বস্তি। খুশিতে অনেক বাস মালিককে যাত্রীদের মাঝে মিষ্টি বিতরনও করতে দেখা গেছে। আর চাঁদাবাজি না থাকায় বাস মালিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বাড়তি ভাড়াও নিচ্ছেন না। কেউ কেউ আবার দুটি টিকিট কিনলে সাথে একটি ফ্রি টিকিটও গিফট করছেন যাত্রীদেরকে।

ঈদের শেষ মূহুর্তেও দেশের মার্কেট আর শপিংমল গুলোতে নেই ক্রেতাদের উপস্থিতি। শপিংয়ের নামে বিলাসীতা না করে অনেক ক্রেতাই এবার তাদের পোশাকের জন্য জমানো টাকা অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন গরীব-দুঃখীদের মাঝে।

ঈদে সারাদেশে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে পেরেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। আর তাই দেশের কোথাও কোনো লোডশেডিং নেই। ফলে জনগণ খুশি হয়ে বিদ্যুৎ না পেয়ে অতীতে যেসব বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর করেছিল সেগুলো নিজেদের উদ্যোগেই মেরামত করবে বলে জানিয়েছে।

এবারের ঈদে সকল টিভি-চ্যানেল আর পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বিহীন খবর আর অনুষ্ঠান প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সকল গণমাধ্যম। ফলে বিজ্ঞাপন নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো। অনেক অনুনয়-বিনয়ের পরও কোথাও মিলছে না বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ। এতে বিজ্ঞাপনদাতারা কিছুটা অসন্তুষ্ট হলেও দর্শকরা যে বেশ খুশি তা বোধ করি বলার অপেক্ষা রাখে না।

লেখা ও আঁকা: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: প্যাঁচআলদৈনিক সমকাল
(২১ জুলাই ২০১৪)

Thursday, June 25, 2015

আপনারা/ তোমরা/ তোরা যারা পত্রিকায় লিখতে আগ্রহী...

প্রায় ইনবক্সে শুনতে হয়, ভাই ওমুক পত্রিকায় কিভাবে লিখব? ওমুক পত্রিকার সম্পাদক জানি কে? আচ্ছা লেখা পাঠানোর ঠিকানাটা কি? লেখা কি পত্রিকার ঠিকানায় পাঠাব নাকি সম্পাদকের নিজস্ব মেইলে? লেখা পাঠানোর আগে কি সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করে নিতে হবে? ভাল খাতির না থাকলে লেখা ছাপবে তো? ইত্যাদি অনেক প্রশ্ন। প্রত্যেককে একই উত্তর দিতে দিতে প্রায় টায়ার্ড হতে হয়, কখনো বা শিকার হতে হয় ভুল বুঝাবুঝির। তাই ভাবলাম এটা নিয়ে একটা নোট লিখে রাখা যাক। যেহেতু আমি ফান ম্যাগাজিনের সাথে জড়িত তাই কেবল ফান ম্যাগাজিন সম্পর্কেই এখানে লিখতে পারব। তো শুরু করার আগে একটু জ্ঞানগর্দব কথা বলা নেয়া যাক-


** কোনো পত্রিকায় (ম্যাগাজিনে) লিখতে হলে সেই ম্যাগাজিন সম্পর্কে আপনার নূন্যতম জ্ঞান থাকা লাগবে। অন্যথায় লেখালেখির চেষ্টা না করাই ভাল। কারণ ক্লাস ওয়ান সম্পর্কে ধারনা না থাকলে আপনি অনার্স-মাষ্টার্সে ভর্তি হবেন ক্যামনে? যাই হোক, ম্যাগাজিন সম্পর্কে জ্ঞান নিতে হলে কবে কোন পত্রিকার সাথে কোন ম্যাগাজিন বের হয় এটা খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য এক সপ্তাহ একটা পত্রিকায় নজর রাখলেই যথেষ্ট। এখন অনলাইনেই সব পত্রিকা পাওয়া যায়। তাই কষ্ট করে প্রত্রিকা সংগ্রহের ও দরকার নেই। একঘন্টা ওয়েবসাইট ঘাটলেই সব পত্রিকার খবরাখবর নিতে পারবেন। তাই এ বিষয়ে আর কথা বাড়ালাম না।

*** এখন আসি লেখা সম্পাদকের পার্সোনাল মেইলে মেইলে পাঠাবেন নাকি পত্রিকার সাথে দেয়া মেইলে এর উত্তরে। লেখা অবশ্যই পত্রিকায় দেয়া মেইলে পাঠাবেন। কারণ ওই মেইলটা খোলাই হয় পত্রিকার লেখা গ্রহনের জন্য। পার্সোনাল মেইলটা সবাই পার্সোনাল রাখতেই ভালবাসে। আপনি যদি কোনো সম্পাদকের আস্থা অর্জন করতে পারেন তখন না হয় পার্সোনাল মেইল এড্রেস চেয়ে নিবেন। পার্সোনাল মেইল আইডিটা সাধারনত লেখালেখির দ্বিতীয় ধাপে অনুসরিত হয়। আর তাছাড়া হাতেগোণা দুয়েকটা পত্রিকা ছাড়া বাকি সবাই পত্রিকার সাথে দেয়া মেইল আইডিটাই ইউজ করে। তাই ওই আইডিতেই লেখা পাঠানোই উত্তম।

** লেখা পাঠানোর আগে সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ বা এক্সট্রা খাতিরের কোনো দরকার নেই। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তবে আপনি লেখাটা ছাপার অক্ষরে দেখার জন্য যতোটা আগ্রহী তারচেয়ে সম্পাদকেরাই বেশি আগ্রহী থাকবে আপনার লেখাটা ছাপতে। এক্সট্রা খাতির বিষয়টা মূলত আপনার লেখার মানহীনতার বহিঃপ্রকাশ।


** এবার জানা যাক কিভাবে লেখা পাঠাবেন এর উত্তর। লেখা ডাকযোগে বা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারবেন। তবে এখন যেহেতু অনলাইনের প্রচলনটাই বেশি তাই লেখা ইমেইলে পাঠানোটাই ভাল মনে করছি। লেখা পাঠাতে হলে ইমেইলে গিয়ে মেইল সেন্ডারের ঠিকানার জায়গায় পত্রিকার মেইল এড্রেসটি টাইপ করুন। সাবজেক্টে লিখুন আপনার লেখার নাম বা কোন বিভাগে লেখাটি পাঠাতে চাচ্ছেন তার নাম। এরপর মেইল কম্পোজের ঘরে শুরুতে লেখার শিরোনামটি লিখে তারপর পুরো লেখাটি লিখে সেন্ড করে দিতে পারেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয় লেখাটি MS Word এ লিখে ইমেইলে Attach File হিসেবে পাঠিয়ে দিলে। আর এক্ষেত্রে লেখার ফন্ট SutonnyMJ রাখাটাই উত্তম। কারণ পত্রিকার অফিসে ইউনিকোড টাইপের ফন্ট ইউজ প্রায় হয় না বললেই চলে। নিচে ইমেইল আর ওয়ার্ড ফাইলে কিভাবে লেখা হয় তার একটি স্ক্রীনশট দিলাম।
ই-মেইল স্যাম্পল
ওয়ার্ড ফাইলের স্যাম্পল
তো অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার নিচে একনজরে কয়েকটি পত্রিকার ফান ম্যাগাজিনের নাম ও ঠিকানা জেনে নেয়া যাক তাহলে-

ঠাট্টা
ছাপা হয়: দৈনিক ইত্তেফাক থেকে
সম্পাদনায়: সাইফুল ইসলাম জুয়েল
প্রকাশের দিন: রবিবার
ইমেইল: ittefaq.thatta@gmail.com

রস+আলো
ছাপা হয়: দৈনিক প্রথম আলো থেকে
সম্পাদনায়: সিমু নাসের/ মাহফুজ রহমান
প্রকাশের দিন: সোমবার
ইমেইল: ra@prothom-alo.info

রকমারি রম্য
ছাপা হয়: বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে
সম্পাদনায়: তানভীর আহমেদ
প্রকাশের দিন: সোমবার
ইমেইল: rokorommo@gmail.com

প্যাঁচআল
ছাপা হয়: দৈনিক সমকাল থেকে
সম্পাদনায়: ইমন চৌধুরী
প্রকাশের দিন: সোমবার
ইমেইল: pachaal123@gmail.com

ঘোড়ার ডিম
ছাপা হয়: দৈনিক কালের কণ্ঠ থেকে
সম্পাদনায়: মেহেদী আল মাহমুদ
প্রকাশের দিন: মঙ্গলবার
ইমেইল: ghorardim@kalerkantho.com

অ্যান্টিভাইরাস
ছাপা হয়: দৈনিক আমাদের সময় থেকে
সম্পাদনায়: ইশতিয়াক আহমেদ
প্রকাশের দিন: মঙ্গলবার
ইমেইল: _

থেরাপি
ছাপা হয়: দৈনিক নয়াদিগন্ত থেকে
সম্পাদনায়: সোহেল অটল
প্রকাশের দিন: বৃহষ্পতিবার
ইমেইল: therapy@dailynayadiganta.com


বি:দ্র: লেখালেখি করতে হলে যে জিনিসটি অবশ্যই মনে রাখতে হবে তা হলো-
♦ একই লেখা কখনো একাধিক প্রত্রিকায় পাঠানো যাবে না।
♦ কোনো পত্রিকায় লেখা পাঠালে তা যদি না ছাপে তবে কমপক্ষে ৩মাস অপেক্ষা করে লেখাটি অন্য পত্রিকায় পাঠানো যাবে।
♦ অনলাইন থেকে কপিকৃত লেখা নিজের নামে লিখে পত্রিকায় পাঠানো যাবে না।

Wednesday, March 11, 2015

আয়রন ম্যান-থ্রি উইথ আমরাও ম্যান-থ্রি!

সিনেমা দেখার প্রতি আমার খুব একটা আগ্রহ নেই। আর হলে গিয়ে ছবি দেখব এ কথা ভুলেও চিন্তা করি না। তবে কেউ যদি ফ্রি টিকিট গিফট দেয় তাহলে আগ্রহ আপনাআপনিই চলে আসে! এবার সেরকমই একটা সুযোগ দিয়েছিলেন ঠাট্টার সিনে ঠাট্টা খ্যাত লেখক মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ ভাই! তারই কল্যানে জীবনে প্রথম স্টার সিনেপে­ক্সের মতো আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার সুযোগ পেলাম। আর ছবিটাও যেই সেই কোনো লোকাল বা ন্যাশনাল নয়, একেবারে ইন্টারন্যাশনাল! নাম ‘আয়রন ম্যান-থ্রি’। যা সোজা বাংলায় হয় লোহা মানব-৩ আরকি! নাম শুনেই বোঝা যায় ছবিটা হয়তো মেইড ইন লোহা-লঙ্করের কাজ-কারবার নিয়ে! হয়েছেও তাই! অর্থ্যাৎ পুরো ছবি জুড়েই ছিল লোহা পেটানোর টুং টাং আওয়াজ। আর তাই ছবি চলাকালীন সময়ে কয়েকবার মনে হয়েছিল আমরা বুঝি সিনেমা হলে নয়, আছি পুরান ঢাকার ধোলাইখালে!
যাই হোক, অগ্রিম টিকিট নিয়ে কাঙ্খিত দিনে গেলাম বসুন্ধরা সিটিতে। সাথে ছিল বন্ধু সুমন এবং সিনে ঠাট্টার আসাদ ভাই। হলে ঢোকার আগেই ৩জনকে এক বিরাট ধৈর্য্যরে পরীক্ষা দিতে হলো! আর তা হলো লাইনে দাঁড়ানো। প্রথমে লাইনে দাঁড়িয়ে আমি কিছুটা কনফিউশনে পড়ে গিয়েছিলাম। কারণ টিকেট হাতে এভাবে সচরাচর মানুষকে বাসের জন্য লাইনে দাঁড়াতে দেখেছি, তাই বলে সিনেমা হলেও? আসাদ ভাই অনেকটা বোকা টাইপের মানুষ! ভুল করে সিনেমার বদলে বাসের টিকেট কেটে ফেলেছেন কিনা কে জানে! তো লাইন কিছুটা সামনে এগুতেই আমার কনফিউশন কাটল। বাস নয়, এটা আসলে হলে ঢোকারই লাইন। দেরিতে হলেও বিষয়টা বুঝতে সক্ষম হলাম! এখানে অবাক করার মতো আরেকটা বিষয় ঘটল! আর তা হলো, হলে ঢোকার আগে গেটম্যান সবাইকে একটা করে চশমা গিফট করছেন! চশমা পেয়ে তো আসাদ ভাই বেজায় খুশি! তাই পাওয়ার সাথে সাথেই চশমাটা চোখে পড়ে নিলেন। এ দেখে গেটম্যান বললেন, স্যার এটা আসলে থ্রিডি চশমা। এটা পড়তে হয় মুভি দেখার সময়। নইলে এর আসল মজা পাবেন না। আসাদ ভাইও কম যান না! ভদ্রলোকের মুখের উপর বলে ফেললেন, আমাকে বোকা পাইছেন? আমি সবই জানি। তয় খালি একটু পরীক্ষা করে দেখলাম আপনারা চশমাটা আসল নাকি ডুপি­কেট দিছেন!
এরপর ভদ্রলোকের মুখের হাসি মলিন হওয়ার আগেই আমরা হলের ভেতর ঢুকলাম। টিকেটের নাম্বারের দাপটে দখল করলাম যার যার সিট। তারপর শুরু হলো সিনেমা। ছবির স্টার্টআপেই আমরা ৩জন হতাশ! কারণ হল কতৃপক্ষ থ্রিডির পয়সা রাখলেও ছবির শুরুতে জাতীয় পতাকা আর জাতীয় সংগীত বাজালেন টু'ডিতে! এ নিয়ে হায়-হুতাশ করে লাভ নেই এটা বুঝতে পেরে ছবি দেখার প্রতি মনোযোগ দিলাম। কিন্তু আবারো পিছু নিল সেই হতাশা! আমি ইংরেজীতে একটু দুর্বল। তাই ধারনা করেছিলাম আমার মতো যারা দুর্বল আছেন তাদের কথা চিন্তা করে হয়তো ছবি চলাকালীন স্ক্রীনে বাংলা সাবটাইটেলের ব্যবস্থা থাকবে! কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলা দূরে থাক ইংরেজী, হিন্দী বা উর্দু কোনো সাবটাইটেলেরও দেখা মিলল না এই ছবিতে! তারপরও ছবি দেখতে লাগলাম কিছু বুঝে আর বেশিরভাগটাই না বুঝে। সমস্যা হলো ছবির নায়ক কে এটা বুঝে উঠতে পারছিলাম না! প্রায় আধা ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর একটা দৃশ্যে ভিলেনের কয়েক’শ মিসাইল যখন টার্গেট মিস করে মাত্র একজনকে মারতে ব্যর্থ হচ্ছিলো তখন বুঝলাম এই একজনই হচ্ছে আমাদের কাঙ্খিত সেই নায়ক! কারণ এমন দৃশ্য অতীতে বাংলা-হিন্দী সিনেমায় বহুবার দেখেছি। ভিলেন যতো পাওয়ারফুলই হোক না কেন, সিম্পল একজন নায়ককে সে কখনোই মারতে পারেনা!
ছবির একটা দৃশ্যে ভিলেন প্লেন থেকে কয়েকজনকে নিচে ফেল দিল। তাদেরকে বাঁচানোর জন্য উড়ে এলো আয়রন ম্যান। সে আবার চলে পুরাই কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে। আর তাই দর্শকের দাবী বিমান থেকে পড়তে থাকা লোকজনদেরকে একজন একজন করে সিলেক্ট না করে ডাইরেক্ট Ctrl+A চেপে সব্বাইকে সিলেক্ট করবে উদ্ধারের জন্য। কিন্তু দর্শকদের দাবীর প্রতি কোনো প্রকার পরোয়া না করে নায়ক কাজ করতে লাগল সম্পূর্ণ ডেসটিনি পদ্ধতিতে! ডান হাত বাম হাত বাড়াতে বাড়াতে যখন সার্কেল পূর্ণ হলো তখনই সে সবাইকে উদ্ধার করে ফেলে দিল সমুদ্রে। ভাগ্যিস উদ্ধার হওয়া সকলেই সাঁতার জানত। নয়তো প্রাণ বাঁচানোর পরিবর্তে প্রাণ নাশের দায়ে আয়রন ম্যানকে যাবজ্জীবন জেল খাটতে হতো!
দেখতে দেখতে চলে এলো ছবির বিরতি। আসাদ ভাইকে বসতে বলে আমি আর সুমন গেলাম পপকর্ণ কিনতে। যিনি আমাদেরকে ৮০০ টাকার টিকিট গিফট করেছেন তাকে অন্তত ১০ টাকার পপকর্ণ খাওয়াতে পারব না এতোটা কৃপণ আমরা নই! কিন্তু বিল দেখে পুরা মাথায় হাত! মেজাজটাই গেল গরম হয়ে! ভাগ্যিস আমি একজন সাধারন ম্যান ছিলাম। আয়রন ম্যান হলে হয়তো এতক্ষণে গরমের চোটে শরীরের লোহা-লঙ্কর সব গলে যেতো! তাই মেজাজ ঠান্ডা করার জন্য সাথে ৩টা পেপসিও কিনলাম। তারপর বিল মিটিয়ে ঢুকলাম হলের ভেতর। ফুডকোর্টে আমাদের দর কষাকষির মূহুর্তটা আসাদ ভাই দূর থেকে লুকিয়ে উপভোগ করছিলেন। বেচারাকে যতোটা বোকা মনে করছিলাম সে আসলে ততোটা বোকা না! সামনে গেলে যদি বিল দিতে হয় এই ভয়ে সে এতক্ষণ আমাদের সামনে আসেনি! আমরা পপকর্ণ আর পেপসি সমান ভাগে ভাগ করতে করতেই বিরতি শেষে ছবি পূনরায় আরম্ভ হলো। মুখে খাবার আর চোখে সানগ্লাস দিয়ে আবারও ছবি উপভোগ করতে লাগলাম। পেপসিতে দুই চুমুক দিতেই দেখি ক্যান খালি! নতুন এসেছি দেখে পরিমানে কম দিয়ে আমাদেরকে ঠকালো কিনা কে জানে! আসাদ ভাইকে বললাম, হোটেলে তো রুটির সাথে ভাজি নিলে তা কয়েকবার রিনিউ করা যায়। তো এখানেও সেই সিস্টেম চালু আছে কিনা? থাকলে ক্যানগুলো নিয়ে আবারও পেপসি ভরে আনতাম! আসাদ ভাই আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আস্তে বলেন। লোকজন শুনলে হাসবে! আমি বললাম, ধুর মিয়া ফান রাইটাররা কি দুয়েকটা মজার কথাও বলতে পারে না? নিজের ভুল বুঝতে পেরে আসাদ ভাই মুখে কয়েকটা পপকর্ণ ঠুসে দিয়ে চুপ মেরে রইলেন! হঠাৎ আবিষ্কার করলাম প্যাকেটের নিচের দিকের পপকর্ণ গুলো খুব একটা ভাজা হয়নি। এ দেখে আসাদ ভাই বললেন, ছবির ভিলেনর কাছ থেকে একটু আগুন এনে এগুলো আরও কড়া করে ভাজতে পারলে মন্দ হতো না! উলে­খ্য যে, ছবির ভিলেন আবার ছিল একজন ফায়ার ম্যান! (আমাদের প্রদত্ত নাম। কারণ ভিলেনের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে আগুন বের হয় কিনা!)
এ পর্যায়ে ছবিতে আর তেমন একটা মজা পেলাম না। নায়ক যতো বড় সু-পুরুষই হোক না কেন তাকে শেষ রক্ষা করেছিলেন সিনেমার নায়িকা ওরফে তার সহধর্মিনী। নায়কের কান থেকে ছোট্ট একটা যন্ত্র খুলে গেলে তার শ্রবণশক্তি নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যায়। এমতাবস্থায় তার ওয়াইফ উদ্ধারকারী জাহাজ হামযার মতো এসে তাকে উদ্ধার করল। এজন্য অবশ্য পরে বেচারা আয়রন ম্যানকে হলভর্তি নারীদের তালি আর পুরুষদের গালি হযম করতে হয়েছে সমানতালে! আবার কেন আয়রন ম্যানের ওয়াইফকে সুপার আয়রন ওম্যান বলা যাবে না এ নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকে রুল জারি করে বসে আছেন! আর একারণেই হয়তো সিনেমার একেবারে শেষের দিকে আয়রন ম্যান তার বডি থেকে বিশেষ যন্ত্রগুলো অপারেশন করে তুলে ফেলেন এবং নিজেকে আয়রন ম্যানের পদ থেকে গুটিয়ে নেয়ার ইস্তফা দেন!
ছবি শেষ। আমরা হল থেকে বের হচ্ছি। হঠাৎ দেখলাম গেটম্যানরা সকলের কাছ থেকে গিফট দেওয়া থ্রিডি চশমাগুলো গুণে গুণে ফেরত নিচ্ছেন। কেউ গিফট দিয়ে তা আবার ফেরত নেয় এটা এই জীবনে প্রথম দেখলাম! সবাই যখন চশমা ফেরত দিচ্ছে তখন ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও আমাদেরকেও দিতে হলো। এ কারণে ৩জনেরই মন খারাপ। গেট থেকে বেড়িয়ে আসাদ ভাই হঠাৎ বিজয়ের হাসি দিয়ে বললেন, চশমা আনি নাই তো কি হইছে? চশমার প্যাকেটটা নিয়া আসছি! আর কান টানলেই মাথা আসে, তাই এবার শুধু প্যাকেট আসলেও নেক্সটটাইম চশমাও এসে যাবে! আসাদ ভাইয়ের হাসিমাখা মুখটা ইটের নিচে চাপা পড়া ঘাসের মতো ফ্যাকাসে করে দিয়ে আমি আমার পকেট থেকে দুই দুইটা চশমার প্যাকেট বের করে দেখালাম। আর বললাম, আপনি যদি ম্যাগাজিনের পাতায় পাতায় চড়েন তবে আমি চড়ি প্রচ্ছদে প্রচ্ছদে! অতঃএব কেউ কারো থেকে কম না! এরপর সবাই একসাথে হেসে উঠলাম। তারপর বিদায় নিয়ে ছুটলাম যে যার গন্তব্যের দিকে।


লেখক: রবিউল ইসলাম সুমন
প্রথম প্রকাশ: ঠাট্টা, দৈনিক ইত্তেফাক (২১ জুলাই ২০১৩)

Thursday, February 9, 2012

জ্যান্ত ভূত!

মাদের গ্রামের গেদা চাচা একদিন কাজের খোঁজে শহরে গেলেন। ঘুরতে ঘুরতে তার সন্ধা হয়ে গেলো এক রেল স্টেশনের কাছে। দোকান থেকে সামান্য চিড়াগুড় খেয়ে তিনি থাকার সন্ধান করতে করতে আবার চলে আসলেন রেল রাস্তার পাশে। সারাদিন হেঁটে পরিশ্রম করে শরীরটা বড়ই পরিশ্রান্ত। তখন তার চোখে এসে ভর করছে রাজ্যের একরাশ ঘুম। কিন্তু কোথায় ঘুমাবেন তা চিন্তা করতে করতে তিনি দেখতে পেলেন রেল স্টেশনের সামান্য দূরে চারজন মানুষ চাদর গায়ে শুয়ে আছেন। বেশি কিছু না ভেবে গেদা চাচা ও ওই চারজনের মাঝে একটু ফাঁক পেয়ে সেখানেই শুয়ে পড়লেন। একটি বিড়ি ধরিয়ে ভাবছেন বাড়ির কথা। স্ত্রী সন্তানদের কথা। তখন ছিলো প্রচুর মশা, তাই তাকে মশায় কাঁমড়াচ্ছে। তিনি হাত দিয়ে মশা তাড়াচ্ছেন আর অবাক হয়ে দেখছেন তার দুই পাশের কাউকেই মশায় কাঁমড়াচ্ছে না! আবার তাদের কারোর-ই কোন সাড়া-শব্দ ও নেই। তারা কেউই এক চুল পরিমান ও নড়াচড়া করছেন না। ইতিমধ্যেই গেদা চাচা চাঁদের আলোয় দেখতে পেলেন দুই পুলিশ অফিসার কথা বলতে বলতে তাদের দিকেই এগিয়ে আসছেন। প্রায় কাছে এসেই এক পুলিশ অফিসার থমকে দাঁড়ালেন এবং তিনি বলতে লাগলেন, আরে… লাশ রেখে গেলাম চারটা আর এখন দেখি পাঁচটা! ব্যাপার কী? অপর পুলিশ অফিসার ও চমকে গিয়ে বললেন, তাইতো! পাঁচ নাম্বারটা তাহলে ভূত নাকি? এদিকে পুলিশের কথা-বার্তা শুনে গেদা চাচার অবস্থা খারাপ। তার মনে পড়লো তিনি আজ কোথায় যেন শুনেছেন রেল দূর্ঘটনায় মানুষ মারা গেছে। তারমানে তিনি এখন শুয়ে আছেন সেই মরা মানুষদের মাঝে! হঠাৎ তিনি চিৎকার করে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। এদিকে পুলিশেরা তাকে ভূত মনে করে স্টেশনের দিকে ঝেড়ে দিলেন এক দৌড়! নিরাপদ আশ্রয়ের ভয়ে গেদা চাচা ও পুলিশদের পেছন পেছন দৌড়াচ্ছেন। আর ওদিকে পুলিশেরা চাচাকে ভূত মনে করেই প্রাণের ভয়ে আরো জোরে জোরে দৌড়াতে লাগলেন!!